মোবাইল

মোবাইল ফোন এর খুঁটিনাটি

ইলেকট্রনিক পণ্য মোবাইল
Spread the love

লেখায় যা যা আছে

মোবাইল কি?

মোবাইল অর্থ ’স্থানান্তরযোগ্য’ বা ’ভ্রাম্যমান’। মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন বা মুঠোফোন যে নামে এটি সম্বোধন করা হোক না কেন এক কথায় মোবাইল হচ্ছে ‘তারবিহীন টেলিফোন বিশেষ’।

এই ফোন সহজে যেকোনো স্থানে বহন ও ব্যবহার করা যায় বলে এর নামকরণ করা হয়েছে মোবাইল ফোন। কোম্পানিগুলো প্রত্যেকটি অঞ্চলে সেবা সরবরাহ করে থাকে কয়েকটি নেটওয়ার্ক স্টেশনের মাধ্যমে (যেগুলোকে আমরা এন্টেনা হিসেবে জানি।)।

এন্ড্রোয়েড স্মার্টফোন

মোবাইল অপারেটররা তাদের সেবা অঞ্চলকে ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, পঞ্চভুজ বা ষড়ভুজ ইত্যাদি আকারের অনেকগুলো সেলে বিভক্ত করে ফেলে। সাধারণত ষড়ভুজ আকৃতির সেলই বেশি দেখা যায়।

মোবাইল ফোন কিভাবে কাজ করে?

এটা মূলত একটি রেডিও টেলিফোন যা বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে কাজ করে থাকে।  চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক যে, কীভাবে মোবাইল ফোন  কাজ করে।

সেলফোন বা মোবাইল ফোন মূলত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে । সেলফোন এবং ল্যান্ড লাইনস কিন্তু একই কাজে ব্যবহার করা হয় তারপরেও এদের কাজ করার প্রযুক্তি সম্পূর্ণ আলাদা। প্রথমে জেনে নেই ল্যান্ড লাইনস কীভাবে কাজ করে

ল্যান্ড লাইনস মূলত কল গুলোকে একটি ইলেকট্রিক ক্যাবলের মাধ্যমে বহন করে আরেক কলারের কাছে পৌছিয়ে দেয়। এতে কোন স্যাটালাইট বা ফাইবার অপটিক ক্যাবলের প্রয়োজন পড়ে না। এই প্রযুক্তিতে, একটি ফোন থেকে কল দিলে সেই কল সরাসরি তারের সাথে সংযুক্ত থাকা আরেকটি ফোনে গিয়ে পৌঁছায়। এইভাবেই ল্যান্ড লাইনস কাজ করে থাকে। 

Mobile Phone BD

ল্যান্ড লাইনস কীভাবে কাজ করে তা তো জানলাম চলুন এখন জেনে নেই সেলফোন বা মোবাইল ফোন কীভাবে কাজ করে

সেলফোনের কাজ করার ধরণ সম্পূর্ণ আলাদা। সেলফোনে  কল করার জন্য কোন তার বা ক্যাবলের প্রয়োজন হয় না। তাহলে প্রশ্ন হলাে  এটি কাজ করে কীভাবে?

 এটি কাজ করে ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে—সকল কলকে এই তরঙ্গের মাধ্যমে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে এই কাজ করতে ল্যান্ড লাইনস তারের সাহায্য নিয়ে থাকে।

এখন প্রশ্ন হলো ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক রেডিও তরঙ্গ টা আবার কি?

ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক রেডিও তরঙ্গ হলো এক প্রকারের তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গ দৈঘ্যের সীমা ১ মিলিমিটার থেকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।

এতক্ষণ তো আমরা মোবাইল কি এবং কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে বকবক করলাম যা নিয়ে এতো বকবক সেটির আবিষ্কার কে করেছেন তা আমাদের জানা দরকার। চলুন জেনে নেই কোন সে মহান ব্যাক্তি যিনি এই প্রযুক্তি আবিষ্কার করে পুরো পৃথিবীটা হাতের মুঠোতে নিয়ে এসেছেন।

মোবাইল ফোন বা সেলফোনের আবিষ্কারক

এন্ড্রোয়েড মোবাইল

ডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেল নামক দুইজন ব্যাক্তি মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় ১৯৭৩ সালে প্রথম সফলভাবে একটি মোবাইল উদ্ভাবন করতে সক্ষম হন যার জন্য তাঁদের দুইজনকে মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

প্রথম আবিষ্কৃত মোবাইল ফোনটির ওজন ছিল প্রায় ২ কেজি(৪.৪ পাউন্ড)

পৃথিবীর প্রথম ফোনটির নাম হচ্ছে -মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০ এক্স(Dyna TAC 8000x) । এটি ১৯৮৩ সালে বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে।

বর্তমানে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যায় ৮৭% মোবাইল ফোন যোগাযোগের আওতায় রয়েছে।

আধুনিক মোবাইল ফোনের ব্যবহার

বেস্ট মোবাইল

এই আধুনিক যুগে মোবাইল ফোনের ব্যবহার কথা আদান-প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ব নেই। নিচে আধুনিক ফোনের ব্যবহার সমূহ উল্লেখ্য করা হলো,

  • কথা বলা।
  • খুদে বার্তা-এসএমএস বা টেক্সট মেসেজ।
  • এমএমএস বা মাল্টিমিডিয়া মেসেজ।
  • ই-মেইল সেবা।
  • ইন্টারনেট সেবা।
  • অবলোহিত আলো বা ইনফ্রা-রেড, ব্লু-টুথ সেবা।
  • ক্যামেরা।
  • গেমিং।
  • ব্যবসায়িক বা অর্থনৈতিক ব্যবহারিক  অ্যাপ ।
  • ক্যালকুলেটর।
  • টিকিট বুকিং ।
  • কথা রেকর্ড করা।
  • ঘড়ির সময় দেখা।
  • মোবাইল ব্যাংকিং পরিচালনা ( বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি)

আধুনিক মোবাইল ফোন স্মার্টফোন নামে পরিচিতি।

বাংলাদেশে মোবাইল ফোন

ভালো মোবাইল

বাংলাদেশে প্রথম মোবইল ফোন ব্যবহার চালু হয় ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে। হাচিসন বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (এইচবিটিএল) ঢাকা শহরে AMPS মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোন সেবা শুরু করে।

বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটর কোম্পানি সমূহের বিস্তারিত

মোবাইল ডিভাইস

বর্তমানে বাংলাদেশে পাঁচটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি রয়েছে-

এই অপারেটর সবগুলো জিএসএম সেবা প্রদান করে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪জি সেবা চালু রয়েছে। এই অপারেটর গুলোর মধ্যেে একমাত্র টেলিটক দেশিয় কোম্পানি। বর্তমানে রবি ও এয়ারটেল একীভূত হয়ে সেবা প্রদান করে থাকে।

কান্ট্রিকোড ছাড়া ১১ ডিজিটের মোবাইল ব্যবস্থা চালু রয়েছে । আমাদের দেশের কান্ট্রিকোড (+৮৮) । এবং প্রতিটি অপারেটরের নাম্বার শুরু হয় ০১ দিয়ে ( কান্ট্রিকোড ছাড়া)।

কান্ট্রিকোড সহ প্রতিটি অপারেটরের নাম্বার নিম্নরূপ-

  • রবি (পূর্বনাম একটেল)।(+৮৮০১৮********)
  • বাংলালিংক (+৮৮০১৯******** ) বা (+৮৮০১৪*******)
  • গ্রামীণফোন (+৮৮০১৭*******) বা (+৮৮০১৩*******)
  • এয়ারটেল (+৮৮০১৬*******)
  • টেলিটক (+৮৮০১৫******)

প্রত্যেকটি অপারেটরের নাম্বার, ব্যালেন্স, ইন্টারনেট ব্যালেন্স ও এসএম এস ব্যালেন্স কীভাবে দেখবেন তা নিম্নরূপ-

#১

রবি

  • নাম্বার  *১৪০*২*৪#
  • ব্যালেন্স *২২২#
  • ইন্টারনেট ব্যালেন্স  *৮৪৪৪*৮৮#
  • এসএমএস ব্যালেন্স *২২২*১১#

#২

বাংলালিংক  

  • নাম্বার                    *৫১১#
  • ব্যালেন্স                    *124#
  • ইন্টারনেট ব্যালেন্স  *124*5#
  • এসএমএস ব্যালেন্স *124*2# 

#৩

গ্রামীণফোন

  • নাম্বার   *2#
  • ব্যালেন্স     *566#
  • ইন্টারনেট ব্যালেন্স   *566*10# অথবা *567#
  • এসএমএস ব্যালেন্স  *566*2#

#৪

এয়ারটেল

  • নাম্বার    *১২১*৬*৩#
  • ব্যালেন্স   *৭৭৮# 
  • ইন্টারনেট ব্যালেন্স *৭৭৮*৩৯#  বা *৭৭৮*৪#
  • এসএমএস ব্যালেন্স *৭৭৮*২# 

#৫

টেলিটক

  • নাম্বার    *৫৫১#
  • ব্যালেন্স  *১৫২#
  • ইন্টারনেট ব্যালেন্স  *১৫২#
  • এসএমএস ব্যালেন্স *১৫২#

এতক্ষণ তো আপনাদের  মোবাইল ফোন সম্পর্কে  অনেক জ্ঞান দিলাম । চলুন এখন জেনে নেই মোবাইল ফোন বা স্মার্টফোন কিনার আগে আমাদের যে সব বিষয়গুলো মাথায় রাখা দরকার।

মোবাইল ফোন কেনার আাগে কয়েকটি জরুরি টিপস

মোবাইল ফোন বিডি

আমরা যখন কোনো স্মার্টফোন কিনবো তখন আমাদের অনেক দ্বিধা-দ্বন্দে পরতে হয় কোন ফোনটি কিনবো এটা নাকি ঐটা। কোনটি বেশি ভালো হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।

আপনাদের এই দ্বিধা-দ্বন্দ মুক্ত করার জন্য নিয়ে এলাম কার্যকরি কয়েকটি টিপসঃ

দাম

স্মার্টফোন কিনার সময় দাম ই আমাদের মূল বিবেচ্য বিষয়। তবে এটা মনি রাখতে হবে যে মোবাইল ফোন কিনার সময় আমাদের বাজেট যতো বেশি হবে আমরা ততো ভালো মানের ফোন কিনতে পারবো। 

প্রসেসর

দাম মূল বিষয় তাদের জন্য যাদের বাজেট কম। তবে আপনার বাজেট যদি ভালো হয় তাহলে অবশ্যই অবশ্যই প্রসেসর ভালো দেখে মোবাইল কিনুন। মনে রাখবেন যত ভালো ক্যামেরা, যত কম দাম, অন্যান্য সুবিধা যত ভালোই দিক না কেন, প্রসেসর যদি ভালো না হয় তাহলে টাকাগুলো নষ্ট হবে। প্রসেসর নিয়ে বিস্তারিত জানতে প্রদত্ত লিংকে গিয়ে পড়ে আসতে পারেন।

রিভিউ ও রেটিং সাইট ব্যবহার করুন

আপনি যে ফোনটি কিনবেন ভাবছেন তা সম্পর্কে ব্যবহারকারী রিভিউ দেখে নিতে পারেন এতে করে আপনি আপনার পছন্দনীয় ফোনটির বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধা জেনে নিতে পারবেন

ডিজাইন

কোনো ফোন কিনার আগে অবশ্যই এর ডিজাইন নিয়ে একটু চিন্তা করুন। এখন বাজারের সব স্মার্টফোনেরই নান্দনিক ডিজাইন রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার রুচিবোধকে বেশি প্রাধান্য দিন।

ডিসপ্লের গুনগত মান

ডিসপ্লের গুনগত মান অনেক প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। ভালোমানের ডিসপ্লে ১০৮০ পি(১৯২০*১০৮০ পিক্সেল) হওয়া প্রয়োজন। যদিও এই ডিসপ্লেযুক্ত ফোনের দাম একটু চওড়া। সাধারণ মানের মোবাইলের ডিসপ্লে ৭২০ পিক্সেল হয়ে থাকে।

র‍্যাম

ফোনের র‍্যাম যতো বেশি হবে ফোন ব্যবহার করে ততো মজা পাবেন। যদিও র‍্যাম বাড়ার সাথে সাথে ফোনের দাম ও বৃদ্ধি পায়।

অপারেটিং সিস্টেম

স্মার্টফোন

স্মার্টফোনের মৌলিক কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। এখনকার সবচেয়ে জনপ্রিয় সিস্টেম হলো অ্যান্ড্রয়েড। অপরদিকে আইফোনের রয়েছে আইওএস। অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে ই ফোনের যাবতীয় কার্যক্রম নির্ধারিত হয়।

ব্যাটারি শক্তি

ফোনের ব্যাটারি যতো বেশি শক্তিশালী হবে ফোনটি ততো বেশি সময় ধরে চালু রাখা যাবে। বর্তমানে ৬০০০ এমএএইচ সবচেয়ে শক্তির ব্যাটারি হিসেবে বাজারে চালু রয়েছে।

ক্যামেরা রেজুলেশন

ফোনের ক্যামেরা যদি বেশি রেজ্যুলেশন হয় তাহলে ভালো মানের ছবি তোলা যাবে তবে আপনার যদি ছবি তোলার দিকে বেশি ইন্টারেস্ট না থাকে তাহলে কম রেজ্যুলেশনের ফোন আমি সাজেস্ট করবো কারণ কম রেজ্যুলেশনের ফোনের দাম ও তুলনামূলক কম হবে।

ব্লুটুথ

আপনি যে ফোনটিই কিনুন আগে দেখে নিবেন ব্লু-টুথ রয়েছে কিনা। ব্লু-টুথ ছাড়া অন্য কোনো ফোনের সাথে কিছু আদান-প্রদান করতে পারবেন না। যদিও এখনকার সব ফোনেই ব্লু- টুথ থাকে।

এনএফসি

এনএফসি বা নেয়ার ফিল্ড কমিনিউকেশন প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। অন্য কোনো স্মার্টফোনে ডাটা আদান-প্রদান করার জন্য এনএফসি’র দরকার হয়। অ্যাপেলেন নিজস্ব এনএফসি প্রযুক্তি রয়েছে যার নাম ‘এয়ারড্রপ‘।

বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে নিন

কোনো ফোন কিনার আগে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে নিতে পারেন। আপনার বন্ধুদের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় অনেক তথ্য পাবেন।

মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই

মোবাইল ফোন

আপনি যে স্মার্টফোনটি  কিনতে চাচ্ছেন বা আপনার হাতের স্মার্টফোনটি বৈধ কিনা তা যাচাই করতে পারেন  আইএমইআই(IMEI) টেস্টের মাধ্যমে চলুন প্রথমে আমরা জেনে নেই আইএমইআই(IMEI) কি?

আইএমইআই(IMEI)

আইএমইআই(IMEI) এর পূর্ণরূপ হলো ইন্টারনেশনাল মোবাইল ইকুপমেন্ট আইডেন্টিটি (International Mobile Equipment Identity)। এটি ব্যবহার করে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা স্মার্টফোনটি বৈধ কিনা তা সহজে জানতে পারবেন। চলুন এখন জেনে নেই আইএমইআই(IMEI) টেস্ট কীভাবে করে-

আইএমইআই(IMEI) মূলত ১৫ ডিজিটের একটি নম্বর। এই নম্বরটি ব্যবহার করে যাচাই করা যাবে আপনার মোবাইল ফোনটি বৈধ কিনা-

দুটি পদ্ধতি আপনার ফোনটির বৈধতা যাচাই করতে পারবেন-

১। এসএমএসের মাধ্যমে।

২।আইএমইআই.ইনফো ওয়েবসাইটে গিয়ে।

#১

এসএমএসের মাধ্যমে 

প্রথমে যেকোনো মোবাইল থেকে মেসেজ  অপশনে যাবেন। তারপর KYD লিখে স্পেস দিয়ে ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি লিখে ১৬০০২ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠাতে হবে। 

তারপর ফিরতি খুদে বার্তায় গ্রাহক বিটিআরসি তথ্যভান্ডার ওই আইএমইআই নম্বরটি আছে কিনা  জানতে পারবেন। যদি আইএমইআই নম্বরটি সংরক্ষণ থাকে তাহলে আপনার স্মার্টফোনটি বৈধ অন্যথায় অবৈধ।

নোটঃআপনার ফোনে *#06# ডায়াল করলে আইএমইআই নম্বর দেখাবে।

#২

আইএমইআই.ইনফো ওয়েবসাইটে গিয়ে

আইএমইআই.ইনফো ওয়েবসাইটে গিয়ে ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি বসান এবং ‘চেক’ বাটনে চাপুন।

পরের পেজে আপনার ফোনের মডেল নম্বর, কোন সালে তৈরি করা হয়েছে, ফোনে কী কী উপকরণ রয়েছে এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আসবে।

কোনো মোবাইল কিনার আগে অব্যশই আপনি যে ফোনটি কিনতে চাচ্ছেন তা বৈধ কিনা যাচাই করে নিবেন।

মোবাইল ফোনকে চকচকে ও ঝকঝকে রাখার উপায়

মোবাইল বাংলাদেশ

প্রত্যেকটি মানুষই চায় তার ব্যবহৃত জিনিসগুলো চকচকে ও ঝকঝকে রাখতে ।  সাধারণত, ফোন পুরোনো হয়ে গেলে এর কার্যক্ষমতা কমতে দেখা যায় । আমরা প্রত্যেকেই চাই আমাদের হাতের ফোনটি যেন সব সময় নতুনের মতো কাজ করে।

কিন্তু দিন শেষে আমাদের হতাশ হতে হয়। তবে মজার কথা হলো আপনিও পারবেন চাইলে আপনার হাতের ব্যবহৃত ফোনটিকে শুধুমাত্র কয়েকটি পদ্ধতি ব্যবহার করে চকচকে ও ঝকঝকে রাখতে। তাহলে দেরি কেনো আসুন জেনে নেই মোবাইল ফোন ঝকঝকে রাখার পদ্ধতি গুলো-

কভার ও স্ক্রিন প্রটেক্টর লাগান

কভার ও স্ক্রিন প্রটেক্টর আপনার স্মার্টফোনটিকে নতুন রাখতে সাহায্য করবে। এতে স্মার্টফোনে দাগ পড়া ও হাত থেকে পড়ে গেলেও সুরক্ষা পাবেন।

ফোন পরিষ্কার রাখুন

মাঝে মধ্যে নরম কাপর বা টিস্যু দিয়ে আপনার হাতের ফোনটি পরিষ্কার করে রাখবেন । এতে ফোনে ময়লা জমবে না এবং আপনার ফোনটি চকচকে দেখাবে। তবে ফোন পরিষ্কার করার সময় কাপর বা টিস্যুর সাথে কোনো পানে বা অন্যান্য রাসায়নিক তরল পদার্থ দ্বারা মোবাইল পরিষ্কার করা ঠিক নয়।

লাইভ ওয়াল-পেপার না রাখা

ফোনে লাইভ ওয়াল-পেপার না রাখাটাই ভালো কারণ এতে আপনার মোবাইলের ব্যাটারির কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

তরল পদার্থ থেকে ধুরে রাখুন

স্মার্ট ফোন

যদিও আধুনেক অনেক স্মার্টফোন ধুলো ও পানেরোধী তারপরও আপনার ফোনের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে যতোটা সম্ভব তরল পদার্থ থেকে ধুরে রাখুন

অ্যান্টিভাইরাস রাখুন

আমরা অনেকেই ফোনে অ্যান্টিভাইরাস রাখতে চাই না। কিন্তু ডিভাইসে অ্যান্টিভাইরাস রাখা খুবই জরুরি। এটি আপনার ফোনকে নিয়মিত ম্যালওয়্যার পরীক্ষা করে থাকে এবং ডিভাইসে কোনো প্রকার ভাইরাস থাকলে তা নিস্কৃত করে দেয়।

নিয়মিত ব্রাউজার পরিষ্কার রাখুন

আমরা অনেকে আমাদের ফোনে বিভিন্ন রকমের ব্রাউজার ব্যবহার করে থাকি কিন্তু কখনো ক্যাশ ক্লিন করি না। এতে ফোনের ম্যামরি ভরে যায় যার ফলে আপনার ফোনটি ধীরে কাজ করে থাকে। নিয়মিত ব্রাউজার ক্যাশ ক্লিন করে রাখলে আপনার হাতের ফোনটি আগের চেয়ে  ভালো কাজ করবে।

ব্যবহারের পর ওয়াই ফাই ও ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ রাখুন

আমরা যখন আমাদের ফোনাটি ব্যবহার করি না তখনও অনেক ধরনের অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু রাখি এতে আমাদের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যায়।

খেয়াল রাখুন ফোনে যেন চাপ না পরে

আপনার ব্যবহৃত ফোনটি যেন কোনো চাপে না পরে সে দিকে খেয়াল রাখুন।

উপরের টিপসগুলো অনুসরণ করে আপনি আপনার হাতেরে ডিভাইসটিকে চকচকে ও ঝকঝকে রাখতে পারেন।

ও হ্যাঁ…… আমাদের আরো লেখা পড়তে পারেন এখানে। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

আমাদের আরো ব্লগ পড়ুন